রিভার্স সাইকোলজি কী আসলে?
ভালো বাংলায় বলতে চাইলে, ধরো তুমি একটা কাজ করতে চাচ্ছো না। এখন আমি এসে বললাম, ভালো হয়েছে কাজটা তুমি করতে চাচ্ছো না, বলেই আমি একটা মুচকি হাসি দিলাম। তখন তোমার মাথায় নতুন জিনিস আসলো- "কেন বললো আমাকে আমি যে কাজটা করছি সেটা না করে ভালোই হচ্ছে! তাহলে তো আমার কাজটা করতেই হবে!"
এভাবে আমি যাস্ট একটা উলটা কথা বলে তোমাকে দিয়ে কাজটা করিয়ে নিলাম। এই ব্যাপারটাকেই বলা হয় রিভার্স সাইকোলজি। উদাহরণ দিলে হয়তো জিনিসটা পরিষ্কার হতে পারে!
তবে এই জিনিসটা সবার ক্ষেত্রে ঠিকভাবে কাজ করে না। আজ অবশ্য এই নিয়ে বকবকাতে আসি নাই! আজকে প্রায় একই একটা ব্যাপার নিজের জীবনে, নিজের সাথে ঘটানো নিয়ে বকবকাতে চাই!
আমাদের জীবনে প্রায়ই এমন কিছু মুহুর্ত আসে যা খুবই হতাশার, যখন মনে হয়- আমি আসলে কেন বেঁচে আছি? আসলেই কি আমি কিছু করছি, নাকি শুধুই অক্সিজেনের অপচয় করে যাচ্ছি? এসব পরিস্থিতি আসতে পারে অনেক কিছু থেকে, মোটা দাগে ব্যর্থতা থেকে। পরীক্ষায় খারাপ করা, ফেল করা, বাবামার কাছে ভয়াবহ বকুনি খাওয়া থেকে শুরু করে প্রেমে ছ্যাকা খাওয়া! এসব থেকেই একটা ডিপ্রেশনের শুরু হয়, যেটা তোমার যা ভালো ব্যাপার আছে সেগুলোও তোমার চোখের সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। তুমি শুধু দেখো, You are a complete failure!
এরকম মুহুর্তে নিজের সাথে নিজে যুদ্ধ করাটা খুব বেশি দরকার! কিন্তু যুদ্ধটা কী নিয়ে? এবং সেই যুদ্ধে অস্ত্রটা কী হবে তোমার?
রিভার্স সাইকোলজি!
আমার এক বন্ধু আছে। সে তার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুর দিকে বেশ ভালো রেজাল্টই করছিলো। এর মাঝেই তার এক মেয়ের সাথে সম্পর্ক হয়। খুব স্বাভাবিক এই বয়সটায়। তখন তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়টাই চলছিল, নিঃসন্দেহে সত্য এইটা। কিন্তু ঐ যে, বসন্তের হাওয়া সবসময় থাকে না! বছরখানেকের মাঝে তার ব্রেকাপ হয়। এর পর চূড়ান্ত মাত্রায় ভেঙে পড়ে সে। কোন বাজে স্বভাব না ধরলেও, সে ক্লাসে অনিয়মিত হয়, সিটি দেয় না, পরীক্ষার পড়া পড়ে না! তার মতে- সেই সম্পর্কে তার কোন ভুল ছিল না, সে তার পুরোটা দিয়েই চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু তার ভাগ্য তার সহায় হয় নি, হয়তো সেই মেয়েটিই তার যোগ্য ছিল না, বা মেয়েটির যোগ্য সে ছিল না। সব মিলিয়ে উপসংহার হচ্ছে, জিনিসটা ভেঙে গেছে। আমি বিশ্বাস করি, যা ভাঙার তা ভাঙবেই, তা আজ হোক, কাল আর পরশু হোক। সুতরাং, এই ভাঙাটা ঠেকানোর হয়তো উপায় ছিল না। কিন্তু, এই সম্পর্ক ভাঙার পর নিজেকে বাঁচানোর তো উপায় ছিল?
ঠিক একই পরিস্থিতিতে আমার আরেক বন্ধুকে দেখলাম, তার প্রেমের সম্পর্ক ভাঙার পর তার জীবনে কিছু মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। সে এই অবস্থাটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলো! যে মানুষটা তার জীবন থেকে চলে গেছে, তার জন্যে সে কেন মন খারাপ করে নিজের বাকি জীবনটা নষ্ট করবে? তার জন্যে এক রাত- এক সপ্তাহ - এক মাস নষ্ট করা যায়, পুরো জীবনটা কি নষ্ট করা যায়?
সে ঐ টার্মে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনে প্রথমবারের মতো ৩.৫ এর উপর জিপিএ পেলো! তার মূল কথাই ছিল, যে চলে গেছে তাকে নিয়ে ভাববো না আমি। হ্যাঁ না ভাবলেও নিজ থেকেই মাথায় চলে আসে সবটা। এজন্যে সে নিজেকে খুব ব্যস্ত করে ফেলেছিলো! যে ছেলেটা পিএলের আগে বই খুলতো না, সেখানে সে সিটির পড়া পড়ে! যে একটা টিউশনে যেতে গাঁইগুঁই করতো, সে তিনটা টিউশন করালো! সে টাকা দিয়ে মাস শেষে নিজের মত শপিং করতো! সে কিছু প্রোজেক্টে কাজ করলো। সময়ের প্রয়োজনে সে নিজেকে কিছুটা পরিবর্তিত করলো, আর তার ফল পেল হাতেনাতে। সে বুঝলো, আগের ১/২ টা বছর তার জীবনের সুন্দরতম সময় ছিলো, কিন্তু শেষমেষ, এখনকার সময়টা কি আদৌ সে পেত যদি সম্পর্কটা থাকতো?
এরকম একটা মুহুর্তে দুইটা মানুষ দুইটা আলাদা সিদ্ধান্ত নিলো, যা তাদের দুজনের জীবনের দিকই বদলে দিলো। হ্যাঁ, এরকম একটা সময়ে, এরকম একটা সিদ্ধান্ত নেয়াটা বেশ কঠিন। কিন্তু একটা সুন্দর জীবন গড়তে, সাহস তো থাকা লাগবে!
আমরা যখন কোন একটা বিপদে পড়ি, আমাদের হাতে দুটো অপশান থাকে।
১। বিপদের সামনে আত্মসমর্পণ করে নিজেকে শেষ করে দেওয়া।
২। বিপদটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়া। বিপদটাকে বলা, তুমি এসেছো, ঠিকাছে, কিন্তু আমি আমার সক্ষমতা নিয়ে খুবই কনফিডেন্ট! আমি আমার জীবনটাকে এমন ভাবে সাজাবো, যেন এই বিপদটা আমার যে ক্ষতি করেছে, বা আরো করতে পারে তা আমি ঢেকে দিতে পারি চিরতরে। এখানের যুদ্ধটা, পুরোটাই নিজের মনের সাথে।
কোন যুদ্ধই সহজ না। নিজের সাথে যুদ্ধটা তো আরো কঠিন! কারণ, নিজেকে বুঝাতে হয়। অন্যকে বুঝানো বেশ সহজ, কিন্তু নিজেকে বুঝানো সহজ নয়। কিন্তু এখানে হেরে গেলে হবে না একেবারেই!
আমার অনেক বন্ধুই প্রায়ই হতাশায় ভুগে, আমার অনেক জুনিয়রই এই পরিস্থিতিগুলো পার হয়ে যায়। আমার এক জুনিয়রের বাবা মারা যায় তার পরীক্ষার কিছুদিন আগে। তাই বলে সে পরীক্ষা না দিয়ে বসে থাকে নি! সে পরীক্ষা দিয়েছে, এবং বাবার জন্যে দিয়েছে। তার ফলাফলে সেটার প্রতিচ্ছবি ছিল! ঠিক বাবা বেঁচে থাকলে যেমনটা দেখতে চাইতেন তেমনটা। কী মনে হয়, স্বর্গ থেকে তার বাবা যদি দেখতেন সন্তান পরীক্ষা দিচ্ছে না, কাঁদছে শুধু, তাহলে খুশি হতেন? নাকি এই ফলাফলের কারণে বাবা গর্বিত হবেন?
হতাশার এই পর্যায়টা খুবই ভয়াবহ। এই পর্যায়টায়, নিজেকে বারবার প্রশ্ন করতে হবে, Are you a loser? Were you a loser always? উত্তরটা পেলেই সাহসটা আসবে! 3 idiots মুভিটায় একটা ডায়লগ ছিল, আমাদের মন খুবই বোকা, একে যেভাবে বুঝাবে, সে সেভাবেই বুঝবে। কথাটা একেবারে ভুল না!
নিজের মনকে চ্যালেঞ্জ দিতে হবে, বলতে হবে, "আমি জানতাম এই এক ব্রেকাপ হলেই তুমি ভেঙে যাবে, আর নিজেকে শেষ করে ফেলবে"। নিজেকে নিয়ে হাসতে হবে! আমাদের মন আর যাই হোক, অপমান নিতে পারে না! ঠিক তখনি হয়তো, মন সেই চ্যালেঞ্জটা নিবে, বলবে নিজেকেই, "আমি তোমাকে ভুল প্রমাণ করে দেখাবো, আমি আগে যা ছিলাম, তা কোন ফ্লুক ছিল না! আজ আমি হারছি, কিন্তু আমি জিতবো কাল!"
একবার যদি রিভার্স সাইকোলজি দিয়ে নিজেকে একটু নিজের সক্ষমতাটা বুঝাতে পারো, তাহলে তোমাকে কেও বাঁধা দিতে পারবে না, তোমার নিয়তিও না!
কারণ, তুমি তোমার নিয়তি গড়ার ক্ষমতা রাখো।
পারলে আমাকে ভুল প্রমাণ করে দেখাও!!!
ভালো বাংলায় বলতে চাইলে, ধরো তুমি একটা কাজ করতে চাচ্ছো না। এখন আমি এসে বললাম, ভালো হয়েছে কাজটা তুমি করতে চাচ্ছো না, বলেই আমি একটা মুচকি হাসি দিলাম। তখন তোমার মাথায় নতুন জিনিস আসলো- "কেন বললো আমাকে আমি যে কাজটা করছি সেটা না করে ভালোই হচ্ছে! তাহলে তো আমার কাজটা করতেই হবে!"
এভাবে আমি যাস্ট একটা উলটা কথা বলে তোমাকে দিয়ে কাজটা করিয়ে নিলাম। এই ব্যাপারটাকেই বলা হয় রিভার্স সাইকোলজি। উদাহরণ দিলে হয়তো জিনিসটা পরিষ্কার হতে পারে!
তবে এই জিনিসটা সবার ক্ষেত্রে ঠিকভাবে কাজ করে না। আজ অবশ্য এই নিয়ে বকবকাতে আসি নাই! আজকে প্রায় একই একটা ব্যাপার নিজের জীবনে, নিজের সাথে ঘটানো নিয়ে বকবকাতে চাই!
আমাদের জীবনে প্রায়ই এমন কিছু মুহুর্ত আসে যা খুবই হতাশার, যখন মনে হয়- আমি আসলে কেন বেঁচে আছি? আসলেই কি আমি কিছু করছি, নাকি শুধুই অক্সিজেনের অপচয় করে যাচ্ছি? এসব পরিস্থিতি আসতে পারে অনেক কিছু থেকে, মোটা দাগে ব্যর্থতা থেকে। পরীক্ষায় খারাপ করা, ফেল করা, বাবামার কাছে ভয়াবহ বকুনি খাওয়া থেকে শুরু করে প্রেমে ছ্যাকা খাওয়া! এসব থেকেই একটা ডিপ্রেশনের শুরু হয়, যেটা তোমার যা ভালো ব্যাপার আছে সেগুলোও তোমার চোখের সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। তুমি শুধু দেখো, You are a complete failure!
এরকম মুহুর্তে নিজের সাথে নিজে যুদ্ধ করাটা খুব বেশি দরকার! কিন্তু যুদ্ধটা কী নিয়ে? এবং সেই যুদ্ধে অস্ত্রটা কী হবে তোমার?
রিভার্স সাইকোলজি!
আমার এক বন্ধু আছে। সে তার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুর দিকে বেশ ভালো রেজাল্টই করছিলো। এর মাঝেই তার এক মেয়ের সাথে সম্পর্ক হয়। খুব স্বাভাবিক এই বয়সটায়। তখন তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়টাই চলছিল, নিঃসন্দেহে সত্য এইটা। কিন্তু ঐ যে, বসন্তের হাওয়া সবসময় থাকে না! বছরখানেকের মাঝে তার ব্রেকাপ হয়। এর পর চূড়ান্ত মাত্রায় ভেঙে পড়ে সে। কোন বাজে স্বভাব না ধরলেও, সে ক্লাসে অনিয়মিত হয়, সিটি দেয় না, পরীক্ষার পড়া পড়ে না! তার মতে- সেই সম্পর্কে তার কোন ভুল ছিল না, সে তার পুরোটা দিয়েই চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু তার ভাগ্য তার সহায় হয় নি, হয়তো সেই মেয়েটিই তার যোগ্য ছিল না, বা মেয়েটির যোগ্য সে ছিল না। সব মিলিয়ে উপসংহার হচ্ছে, জিনিসটা ভেঙে গেছে। আমি বিশ্বাস করি, যা ভাঙার তা ভাঙবেই, তা আজ হোক, কাল আর পরশু হোক। সুতরাং, এই ভাঙাটা ঠেকানোর হয়তো উপায় ছিল না। কিন্তু, এই সম্পর্ক ভাঙার পর নিজেকে বাঁচানোর তো উপায় ছিল?
ঠিক একই পরিস্থিতিতে আমার আরেক বন্ধুকে দেখলাম, তার প্রেমের সম্পর্ক ভাঙার পর তার জীবনে কিছু মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। সে এই অবস্থাটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলো! যে মানুষটা তার জীবন থেকে চলে গেছে, তার জন্যে সে কেন মন খারাপ করে নিজের বাকি জীবনটা নষ্ট করবে? তার জন্যে এক রাত- এক সপ্তাহ - এক মাস নষ্ট করা যায়, পুরো জীবনটা কি নষ্ট করা যায়?
সে ঐ টার্মে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনে প্রথমবারের মতো ৩.৫ এর উপর জিপিএ পেলো! তার মূল কথাই ছিল, যে চলে গেছে তাকে নিয়ে ভাববো না আমি। হ্যাঁ না ভাবলেও নিজ থেকেই মাথায় চলে আসে সবটা। এজন্যে সে নিজেকে খুব ব্যস্ত করে ফেলেছিলো! যে ছেলেটা পিএলের আগে বই খুলতো না, সেখানে সে সিটির পড়া পড়ে! যে একটা টিউশনে যেতে গাঁইগুঁই করতো, সে তিনটা টিউশন করালো! সে টাকা দিয়ে মাস শেষে নিজের মত শপিং করতো! সে কিছু প্রোজেক্টে কাজ করলো। সময়ের প্রয়োজনে সে নিজেকে কিছুটা পরিবর্তিত করলো, আর তার ফল পেল হাতেনাতে। সে বুঝলো, আগের ১/২ টা বছর তার জীবনের সুন্দরতম সময় ছিলো, কিন্তু শেষমেষ, এখনকার সময়টা কি আদৌ সে পেত যদি সম্পর্কটা থাকতো?
এরকম একটা মুহুর্তে দুইটা মানুষ দুইটা আলাদা সিদ্ধান্ত নিলো, যা তাদের দুজনের জীবনের দিকই বদলে দিলো। হ্যাঁ, এরকম একটা সময়ে, এরকম একটা সিদ্ধান্ত নেয়াটা বেশ কঠিন। কিন্তু একটা সুন্দর জীবন গড়তে, সাহস তো থাকা লাগবে!
আমরা যখন কোন একটা বিপদে পড়ি, আমাদের হাতে দুটো অপশান থাকে।
১। বিপদের সামনে আত্মসমর্পণ করে নিজেকে শেষ করে দেওয়া।
২। বিপদটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেওয়া। বিপদটাকে বলা, তুমি এসেছো, ঠিকাছে, কিন্তু আমি আমার সক্ষমতা নিয়ে খুবই কনফিডেন্ট! আমি আমার জীবনটাকে এমন ভাবে সাজাবো, যেন এই বিপদটা আমার যে ক্ষতি করেছে, বা আরো করতে পারে তা আমি ঢেকে দিতে পারি চিরতরে। এখানের যুদ্ধটা, পুরোটাই নিজের মনের সাথে।
কোন যুদ্ধই সহজ না। নিজের সাথে যুদ্ধটা তো আরো কঠিন! কারণ, নিজেকে বুঝাতে হয়। অন্যকে বুঝানো বেশ সহজ, কিন্তু নিজেকে বুঝানো সহজ নয়। কিন্তু এখানে হেরে গেলে হবে না একেবারেই!
আমার অনেক বন্ধুই প্রায়ই হতাশায় ভুগে, আমার অনেক জুনিয়রই এই পরিস্থিতিগুলো পার হয়ে যায়। আমার এক জুনিয়রের বাবা মারা যায় তার পরীক্ষার কিছুদিন আগে। তাই বলে সে পরীক্ষা না দিয়ে বসে থাকে নি! সে পরীক্ষা দিয়েছে, এবং বাবার জন্যে দিয়েছে। তার ফলাফলে সেটার প্রতিচ্ছবি ছিল! ঠিক বাবা বেঁচে থাকলে যেমনটা দেখতে চাইতেন তেমনটা। কী মনে হয়, স্বর্গ থেকে তার বাবা যদি দেখতেন সন্তান পরীক্ষা দিচ্ছে না, কাঁদছে শুধু, তাহলে খুশি হতেন? নাকি এই ফলাফলের কারণে বাবা গর্বিত হবেন?
হতাশার এই পর্যায়টা খুবই ভয়াবহ। এই পর্যায়টায়, নিজেকে বারবার প্রশ্ন করতে হবে, Are you a loser? Were you a loser always? উত্তরটা পেলেই সাহসটা আসবে! 3 idiots মুভিটায় একটা ডায়লগ ছিল, আমাদের মন খুবই বোকা, একে যেভাবে বুঝাবে, সে সেভাবেই বুঝবে। কথাটা একেবারে ভুল না!
নিজের মনকে চ্যালেঞ্জ দিতে হবে, বলতে হবে, "আমি জানতাম এই এক ব্রেকাপ হলেই তুমি ভেঙে যাবে, আর নিজেকে শেষ করে ফেলবে"। নিজেকে নিয়ে হাসতে হবে! আমাদের মন আর যাই হোক, অপমান নিতে পারে না! ঠিক তখনি হয়তো, মন সেই চ্যালেঞ্জটা নিবে, বলবে নিজেকেই, "আমি তোমাকে ভুল প্রমাণ করে দেখাবো, আমি আগে যা ছিলাম, তা কোন ফ্লুক ছিল না! আজ আমি হারছি, কিন্তু আমি জিতবো কাল!"
একবার যদি রিভার্স সাইকোলজি দিয়ে নিজেকে একটু নিজের সক্ষমতাটা বুঝাতে পারো, তাহলে তোমাকে কেও বাঁধা দিতে পারবে না, তোমার নিয়তিও না!
কারণ, তুমি তোমার নিয়তি গড়ার ক্ষমতা রাখো।
পারলে আমাকে ভুল প্রমাণ করে দেখাও!!!

Comments
Post a Comment