Skip to main content

Posts

To the poem I never wrote

Hello Dear, How are you? I am not fine. True to speak, for the last 340 days or so, I have never been!  Whatever, let it go. Tell me how is it going on your part.  I think you are quite a bit angry with me- which I guess is okay. I never reached out to you for all of these months. Now when I am feeling too much lonely, I am sending some combination of letters- that has no value to you- perhaps? (Please say NO).  You remember the day, I bought some reddish fluid for you? I gave it to you, to underline some of the beautiful parts of you? You instantly took that and underlined, trust me you were looking so beautiful! Being the poet of the poem, it was hard for me to believe how beautiful it was!  You remember the day- it was raining immensely? We walked through the green, sipped some hot drink with some wet smoke? You were not afraid of getting wet in the rain, I still can see the happiness inside you, even you are not in my diary now!  We went up to a peak- watche...

আলো নেই, রোদ নেই!

এই শহরের বয়স প্রায় ১৫ দিন। এই শহরের পথেঘাটে বিপন্ন বিস্ময়। এখানে ভোরের আলো ফুঁটে এক ঝাঁক ব্যস্ততা নিয়ে- নিয়মতান্ত্রিক ব্যস্ততা। এখানে অনিয়ম নেই, গাড়ির হেডলাইটের হলুদ আলো গুলো একই সরলরেখা বরাবর চলতে থাকে, লাল দেখলেই আবার থেমে যায়! সবুজের অপেক্ষায় বসে থাকে চক্র হাতে মানুষগুলো! আবার ফুটপাথের কিনারায় দুপায়ে ভর করে দাঁড়িয়ে থাকে সাদা আলোর অপেক্ষায় থাকা দুয়েকজন একা মানুষ! একাকিত্ব আপনাকে গ্রাস করতে পারবে না এখানে। এখানে একসাথে এত একা মানুষ, যে একাকিত্ব নতুন করে দানা বাঁধতে লজ্জা পায়! রাত ১১টায় পার্কিং এর পাশে ঠান্ডা বাতাসে দাঁড়িয়ে থাকা একা মানুষটা যেমন এক আশায় তাকিয়ে থাকে চারকোণা আলোর দেয়ালটার দিকে, তেমনি চার দেয়ালের ভেতর চারকোণা নরম বিছানায় থাকা একা অবশ শরীরটাও ভাবে জানালাটা খুললে কি একটু আলো আসবে? বা একটু রোদ? নাকি শুধু বিপন্ন বিস্ময়? একা মানুষগুলোর জন্যে অবসর একটা অভিশাপ। অবসর যে শূন্যতা আনে সে শূন্যতায় একা মানুষটা একাও থাকতে পারে না শান্তিমতো, সে নিজেকেও হারিয়ে ফেলে সেখানে। সে আর তখন এক(আ) থাকে না, সে হয়ে যায় শূন্য! ব্যস্ত শহরের বাকি ইতিহাসটাও তখন হারিয়ে যায় শূন্যতায়। যে শহর...

The love we deserve

I am not that much of a book reader. I like to read books when I feel there is nothing to do. Like now, I have actually nothing to do. But at this moment, I am not reading a book. How can I? Because I am writing a fu**ing blog post which I am not sure I will publish or not. However, I was trying to say that I am not that good in reading books. The last book I read was "Siddharth" which was really a good book. Which made me feel, I can never be satisfied with what I get. By the way., this isn't also the topic of this blog post. I really wanted to say about the book which I read before Siddharth . Perks of Being a Wallflower The book includes letters of Charlie who sends those letters to someone we don't know who. Through each letter Charlie shares his daily life to that someone because he had no one to share to! In that book, there is line, Charlie mentioned. That is - "We accept the love we think we deserve" This words 

Reverse Psychology

রিভার্স সাইকোলজি কী আসলে? ভালো বাংলায় বলতে চাইলে, ধরো তুমি একটা কাজ করতে চাচ্ছো না। এখন আমি এসে বললাম, ভালো হয়েছে কাজটা তুমি করতে চাচ্ছো না, বলেই আমি একটা মুচকি হাসি দিলাম। তখন তোমার মাথায় নতুন জিনিস আসলো- "কেন বললো আমাকে আমি যে কাজটা করছি সেটা না করে ভালোই হচ্ছে! তাহলে তো আমার কাজটা করতেই হবে!" এভাবে আমি যাস্ট একটা উলটা কথা বলে তোমাকে দিয়ে কাজটা করিয়ে নিলাম। এই ব্যাপারটাকেই বলা হয় রিভার্স সাইকোলজি। উদাহরণ দিলে হয়তো জিনিসটা পরিষ্কার হতে পারে! তবে এই জিনিসটা সবার ক্ষেত্রে ঠিকভাবে কাজ করে না। আজ অবশ্য এই নিয়ে বকবকাতে আসি নাই! আজকে প্রায় একই একটা ব্যাপার নিজের জীবনে, নিজের সাথে ঘটানো নিয়ে বকবকাতে চাই! আমাদের জীবনে প্রায়ই এমন কিছু মুহুর্ত আসে যা খুবই হতাশার, যখন মনে হয়- আমি আসলে কেন বেঁচে আছি? আসলেই কি আমি কিছু করছি, নাকি শুধুই অক্সিজেনের অপচয় করে যাচ্ছি? এসব পরিস্থিতি আসতে পারে অনেক কিছু থেকে, মোটা দাগে ব্যর্থতা থেকে। পরীক্ষায় খারাপ করা, ফেল করা, বাবামার কাছে ভয়াবহ বকুনি খাওয়া থেকে শুরু করে প্রেমে ছ্যাকা খাওয়া! এসব থেকেই একটা ডিপ্রেশনের শুরু হয়, যেটা তোমার যা ভালো ব্য...

Confidence

সবাই জীবনে কমবেশি সফল হতে চায় কোন না কোন দিক দিয়ে। আমিও চাইতাম। শচীন টেন্ডুলকারের একটা কথা আমার খুব ভাল লাগে, “There is no shortcut to success.” কথাটা ভয়ানকভাবে সত্যি। তুমি চাইলেই দুইদিনে হিরো হয়ে যেতে পারবা না। ইট ইজ আ প্রসেস। ছোট ছোট অপ্রাপ্তি-প্রাপ্তি মিলিয়ে মিশিয়েই সাফল্যটা ধরা দেয়। তবে আমার মনে হয় এদিক থেকে কিছু জিনিষ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শচীন আমার প্রিয় মানুষদের একজন। তার টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান ২৪৮। এটা কোন বড় রান না যেখানে লারার ৪০০ আছে। কিন্তু এই ইনিংসটার একটা মাহাত্ম্য ছিল। শচীন সেই ম্যাচের আগে টানা বেশ কয়েকটি ম্যাচে অফ সাইডের বাইরের বল খেলতে গিয়ে কিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছিলেন। তার দুর্বলতা সেখানে তিনি তা বুঝতে পেরেছিলেন। তাই এই ২৪৮ রানের ইনিংসে তিনি অফ সাইডে করা একটি বলও খেলেননি সেদিন! ৩৭৯ বলের মাঝে অফ সাইডে একটি শটও খেলেন নি। এই ব্যাপারটা থেকে দুটো জিনিষ স্পষ্ট হয়, ধৈর্য আর আরেকটা জিনিষ, যেটা আমরা পারতপক্ষে পাত্তা দেই না-”নিজের লিমিটেশন সম্পর্কে জানা”। শচীন জানতেন তার সীমাবদ্ধতা কতটুকু। তার বাইরে তিনি চেষ্টা করেন নি। আমাদেরও অন্তত বোঝা উচিত, আমার সীমাবদ্ধতা কতটু...

Friend-they call it!

I always felt there are two ways in which one can treat his best friend. There may be other ways but I never tried to seek, the instances which were visible in front of me, I only admitted them! Firstly, you can think, your best friend will always be with you and you take him for granted. You think, he will forever be with you even if you invest no time on him which is quite normal I guess. However, it doesn’t mean you don’t love your friend like ever before, but you may love him so much that you just start to believe that he will always be there for you, whatever happens! Staying 24/7 surrounded by air, you never actually feel the existence and importance of air: so, you just opt for smoking, inhaling some other gases which are definitely detrimental to your health (or might not). You only feel the absence of air, when one day you just find out, you can’t breathe. Well this was just a consequence of a case which may not (and I wish not) happen with anyone!  Secondly, you alr...

চলচ্চিত্র পড়া

ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরা আর দারুণ ক্যামেরাযুক্ত স্মার্ট ফোনের সহজলভ্যতার কল্যাণে এখন চলচ্চিত্র নির্মাণ বেশ সহজ হয়ে গিয়েছে। এমনকি নিজের ক্যামেরা না থাকলেও বন্ধুমহলে কারো ক্যামেরা থাকলেই চলচ্চিত্র নির্মাণের দারুণ একটা চল দেখা যায় ইদানিং, যা অবশ্যই প্রশংসাযোগ্য। স্কুল-কলেজ পর্যায় থেকেও আসছে খুব দারুণ দারুণ কাজ।  এছাড়া, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র পাড়ার যে করুণ চিত্র আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি, তাও ধীরে ধীরে কেটে যাচ্ছে তরুণ নির্মাতাদের কল্যাণে। প্রতি বছরই অসাধারণ কিছু চলচ্চিত্র আসছে যা একই সাথে সমালোচকদের প্রশংসা পাচ্ছে এবং সাধারণ দর্শকদেরও মন জয় করছে। অশ্লীল চলচ্চিত্রের এক ভয়াবহ কালো অধ্যায় থেকে বেশ বাইরে চলে এসেছে ঢালিউড। সব মিলিয়ে একটা সুসময়ের শুরু হয়েছে- এটা বলা বোধহয় নিরাপদ! কিন্তু সবসময় কোনকিছুর পরিমাণ দিয়ে তার মান যাচাই করা সম্ভব হয় না। ইউটিউব এবং ভিমিওতে বাংলা চলচ্চিত্র, বিশেষত বাংলা ক্ষুদে চলচ্চিত্র এখন বেশ  উন্নতি লাভ করেছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু এর সাথে বেশ অনেক কাজ আসছে যা দেখে মনে হয়, ক্যামেরা একটু বেশিই বোধহয় সহজলভ্য হয়ে গেছে হয়তো!   চলচ্চিত্র নিয়ে প্রথম যে কোর্সটি ...